Friday, June 14, 2024
HomeLatest Postsবাংলা রচনা : আমার প্রিয় শেখ রাসেল রচনা । শেখ রাসেল সম্পর্কে...

বাংলা রচনা : আমার প্রিয় শেখ রাসেল রচনা । শেখ রাসেল সম্পর্কে রচনা প্রতিযোগিতা

Advertisements
Rate this post

বাংলা রচনা : আমার প্রিয় শেখ রাসেল রচনা । শেখ রাসেল সম্পর্কে রচনা প্রতিযোগিতা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেল। ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের হাত থেকে রেহাই পায়নি শিশু শেখ রাসেল। ১১ বছর বয়সী শেখ রাসেলকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। আজ আমরা জানবো আমাদের প্রিয় শেখ রাসেলের সম্পর্কে রচনা লেখার পদ্ধতি। শেখ রাসেল রচনা প্রতিযোগিতার নমুনা রচনাটি দেখে নেওয়া যাক।

১১ বছর বয়সী শেখ রাসেলের জীবনী সম্পর্কে জানার শেষ নেই। এর অন্যতম কারণ হলো, ১১ বছর বয়সে অবুঝ শিশুটি দেশের স্বার্থে তার পরিবারসহ জীবন দিয়েছে। তাকে তার মায়ের লাশের পাশে কবর দেওয়া হয়েছিল কারণ তিনি তার মায়ের মৃত্যুর আগে তার কাছে থাকতে চেয়েছিলেন।

আজকের পোষ্টে আমরা আমার প্রিয় শেখ রাসেল রচনা প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানবো। জানবো শেখ রাসেল আমাদের বন্ধু রচনা pdf, শেখ রাসেল এর জীবনী, শেখ রাসেল রচনা pdf, শেখ রাসেল, আমাদের ভালোবাসা রচনা pdf, শেখ রাসেল দিবস রচনা, শেখ রাসেল আমার বন্ধু রচনা, খেলাধুলায় শেখ রাসেল রচনা এই বিষয়ে বিস্তারিত সকল তথ্য।

আমার প্রিয় শেখ রাসেল রচনা । শেখ রাসেল সম্পর্কে রচনা প্রতিযোগিতা

আমাদের প্রিয় শেখ রাসেল রচনা টি শেখ রাসেল সম্পর্কিত অন্য শিরোনামে কোনো রচনায় ও ব্যবহার করতে পারবেন। তবে নিজের মতো করে একটু আধটু পরিবর্তন এবং পরিবর্ধন করে ভাসার সঠিক প্রয়োগ করে লিখবেন।

ভুমিকা

এই বাংলায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঘরের অনেক মহান ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটেছে। তাদের অনেককেই আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে পেরেছি। আবার সম্প্রসারণের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায় অনেকেই। কিন্তু বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা আজ যেখানে আছি, সেখানে সেই মহান ব্যক্তিদের অবদান কমবেশি আছে। বাঙ্গালী জাতির পিতা যাকে দেশের পিতা বলা হয় তিনি হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নির্মম ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের কথা আমরা সবাই জানি।

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র প্রিয় শেখ রাসেলকেও তার পরিবারের সাথে হত্যা করা হয়। প্রিয় রাসেল যখন মাত্র ১১ বছর বয়সে পর্দাপণ করেন ঠিক সেই সময়ে দুঃখজনকভাবে তার পরিবারের সাথেই তাকে জীবন উৎসর্গ করতে হয়েছিল । শিশু রাসেলের অপরাধ ছিল সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছেলে।

শেখ রাসেলের জন্ম । প্রিয় রাসেল

প্রিয় শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। সেই আনন্দের দিনে মায়ের কোলে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে আসেন বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ রাসেল। রাসেলের জন্ম তার বড় বোন শেখ হাসিনার ঘরে।

সেদিন রাসেলের জন্মের ফলে সারা বাড়ি আনন্দে ভরে যায়। রাসেলের জন্মের পর বড় বোন শেখ হাসিনা শিশু রাসেলের ভেজা মাথা পরিষ্কার করার জন্য ওড়না ব্যবহার করেন। রাসেল জন্মের সময় খুবই সুস্থ ছিল। সেদিন রাসেলের জন্ম শুধু বঙ্গবন্ধুর পরিবার নয়, গোটা জাতির জন্য আনন্দ বয়ে আনে।

রাসেলের নামকরণ । যেভাবে শেখ রাসেলের নাম রাসেল রাখা হয়

শেখ রাসেলকে রাসেল নামকরণের পেছনে একটি বড় কারণ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু সর্বদা বিশ্ব শান্তি ও সহাবস্থানের পক্ষে ছিলেন। এজন্য তিনি দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেলের একজন বড় ভক্ত ছিলেন। বার্ট্রান্ড রাসেল একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দার্শনিক এবং সমাজবিজ্ঞানী। তিনি আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের একজন প্রধান নেতাও ছিলেন।

রচনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল/কর্ণফুলি টানেল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব যখন এক ধরনের হুমকির মুখে, তখন যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে কাজ করছিলেন বার্টান্ড রাসেল। বঙ্গবন্ধুসহ পুরো পরিবার এমন একজন মহান ব্যক্তির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। আর সেই অনুপ্রেরণা থেকেই বঙ্গবন্ধু তার কনিষ্ঠ সন্তানের নাম রাখেন শেখ রাসেল।

প্রিয় রাসেলের রাসেলের ছেলেবেলা । শেখ রাসেলের ছেলেবেলা

শেখ রাসেলের শৈশব ছিল দেশের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মতোই রঙিন। জন্মের পর বেশিদিন বাবার কাছে থাকার সৌভাগ্য তার হয়নি। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে কারারুদ্ধ করে। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে ঢাকায় রাখা হলেও পরে তাকে পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

শিশু রাসেল তার বড় বোন হাসিনাকে নিয়ে কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যায়। মাত্র দুই বছর বয়সী রাসেল তার বোন হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেছিল- “আমি কি তোমার বাবাকে একটু বাবা বলতে পারি?”। অর্থাৎ সে তার বোনের বাবা, অর্থাৎ সে কি তার নিজের বাবাকে বাবা বলতে পারবে? তার মানে জন্ম থেকেই তার বাবা তার কাছে সম্পূর্ণ অপরিচিত।

যখন সে তাকে ভালো করে জানলো, তখন সে তার বাবার সাথে দেখা করতে গিয়ে আর আসতে চাইত না । তারপর তাকে বুঝানো হলো যে এই কারাগারই তার বাবার বাড়ি। তার বাবা সবসময় ওখানেই আছে।

রাসেল তার মা বোনদের সাথে ঢাকার ৩২ নম্বর ও টুঙ্গিপাড়ায় জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। শেখ রাসেল যখন ১১ বছর বয়সে নিহত হন তখন তিনি চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।

শেখ রাসেলের হত্যাকাণ্ড । প্রিয় রাসেলের হত্যাকাণ্ড

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের অভিশপ্ত রাত সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি বাংলাদেশ বিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্রে শেখ মুজব তার পুরো পরিবারসহ জীবন দিয়েছেন।

ওই রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাস ভবনটি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ট্যাঙ্ক দিয়ে ঘিরে ফেলে। খুনিরা একে একে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে। ওই রাতেই বঙ্গবন্ধু ও শেখ রাসেলকে ব্যক্তিগত চাকরসহ নৃশংসভাবে খুনিরা হত্যা করে।

এরপর শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত সেবক মহিতুল ইসলাম জানান “রাসেল তার কাছে ছুটে গিয়ে জিজ্ঞেস করল সৈন্যরা তাকেও (রাসেলকে) মেরে ফেলবে কিনা”। ঠিক তখনই এক সেনা কর্মকর্তা মহিতুলকে চড় মারেন। রাসেল ভয় পেয়ে তার কাছ থেকে পালিয়ে যায়।

প্রিয় রাসেল, যার বয়স মাত্র ১১ বছর বয়স, তার মায়ের কাছে যাবে বলে কাঁদছে। এ সময় এক ঘাতক শিশু রাসেলকে ঘরের ভেতরে নিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে। মৃত্যুর মুখে ঢলে পরে এক নিস্পাপ অবুঝ শিশু শেখ রাসেল।

কেন প্রিয় শেখ রাসেল আমাদের বন্ধু । রাসেলের জীবনী

শিশু শেখ রাসেল কেন আমাদের বন্ধু, কীভাবে তিনি আমাদের বন্ধু হলেন, তা বুঝতে আমাদের ফিরে যেতে হবে শৈশবে রাসেলের লেখা বিভিন্ন বই বা পত্রিকায়। তার শৈশব সম্পর্কে যা জানা যায় তার বেশিরভাগের জন্য, শিশু রাসেলের শৈশব ছিল নিষ্পাপ স্ব-অনুরাগী কার্যকলাপে পূর্ণ।

আমার প্রিয় শেখ রাসেল রচনা প্রতিযোগিতা

কথিত আছে, বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে টমি নামের একটি কুকুর ছিল যার সাথে শিশু রাসেল সবসময় খেলত। একদিন কুকুরটি খেলার সময় জোরে ঘেউ ঘেউ করলে ছোট্ট রাসেল ভেবেছিল টমি তাকে বকা দিচ্ছে। তখন শিশু রাসেল তার বোন রেহানার কাছে এসে কাঁদে। মাছ ধরার প্রতিও রাসেলের প্রবল আগ্রহ ছিল। অবুঝ শিশুটি মাছ ধরে আবার পুকুরে ছেড়ে দেয়। এ ধরনের কাজে তিনি দারুণ আনন্দ পান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয়ের জন্ম হলে রাসেল সারাদিন জয়কে নিয়ে ঘুরতেন। রাসেলের শৈশব খুব উপভোগ্য ছিল। এই দুঃসাহসিক কাজে তার সঙ্গী ছিল তার লাল সাইকেল। প্রিয় রাসেল রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ভেঙে সাইকেল চালিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতেন।

রাসেলের শৈশবের গল্প আমাদের হৃদয়ের গভীর থেকে আমাদের শৈশবের সব গল্প মনে করিয়ে দেয়। রাসেলের শৈশবের গল্পে আমরা বারবার নিজেকে খুঁজে পাই। পড়াশোনা, খেলাধুলা, অ্যাডভেঞ্চার দিয়ে রাসেল হয়ে ওঠে আমাদের সবার শৈশবের আদর্শ প্রতীক। খুব অল্প বয়সেই রাসেলের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর মতো মানবিক হৃদয়ের উপস্থিতি ছিল। পশুপাখিসহ সকল মানুষের প্রতি ছিল তার অগাধ ভালোবাসা। শেখ রাসেল ছিলেন সবার প্রিয়। তিনি সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতেন, গৃহকর্মীসহ সকলকে সর্বদা সম্মান করতেন।

উপসংহার । প্রিয় শেখ রাসেল রচনা

আমাদের প্রিয় শেখ রাসেল বাঙালি জাতির জন্য একজন বিপ্লবী মানুষ। যিনি নিজ পরিবারে সবচেয়ে ছোট হলেও দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। অন্যদিকে তার নির্মম মৃত্যুর কাহিনী বারবার আমাদের দেশের বর্বর ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেয়। সেই নৃশংস ক্ষমতালোভী ক্ষুধার্ত মানুষদের সম্পর্কে যারা ১১ বছরের একটি শিশুর জীবনও ভিক্ষা করেনি, ক্ষমতার জন্য তাদের হাত কাপেঁ নি।

প্রিয় সন্তান রাসেল চিরকাল বাঙালি জাতির ইতিহাসের জ্বলন্ত প্রতীক হয়ে থাকবেন। তাঁর স্মৃতি চিরকাল বাঁচিয়ে রাখতে বাংলাদেশে শেখ রাসেল স্পোর্টস ক্লাব ও শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ গঠন করা হয়েছে। শেখ রাসেলের নামে ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে নির্মিত হয়েছে স্কেটিং স্টেডিয়াম। এভাবেই শেখ রাসেল বাঙালি জাতির রূপে অমর হয়ে থাকবেন, থাকবেন বাঙালি জাতির হৃদয়ে। বাঙালি জাতি শেখ রাসেলের স্মৃতি রক্ষা করে তাকে বন্ধুর ভালোবাসার আসনে বসিয়ে সভ্যতার পথে এগিয়ে যাক।

Nancy Hasan
Nancy Hasanhttps://www.getstudyonline.com
Nancy's Diary - “Don’t focus on having a great blog. Focus on producing a blog that’s great for your readers.”As a blogger[1], everything that you do flows from understanding your audience and seeking to help them as much as possible.
RELATED ARTICLES

3 COMMENTS

Leave a Reply

- Advertisment -

Most Popular

Latest Post

দুশ্চিন্তা দূর করার দোয়া | Prayer to remove anxiety

আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল এক নয়; কিন্তু আলাদা নয়। এ কথাটা কতটুকু শরীয়তসম্মত?

0
প্রশ্ন: আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল এক নয়; কিন্তু আলাদা নয়। এ কথাটা কতটুকু শরীয়তসম্মত? আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল এক নয়; কিন্তু আলাদা নয়। এ কথাটা...
দুশ্চিন্তা দূর করার দোয়া | Prayer to remove anxiety

প্রশ্ন: কুরবানির পশুর চামড়া বা বিক্রয়ের টাকা প্রদানের খাতগুলো কি কি? বিস্তারিত জানতে আগ্রহী।

0
প্রশ্ন: কুরবানির পশুর চামড়া বা বিক্রয়ের টাকা প্রদানের খাতগুলো কি কি? বিস্তারিত জানতে আগ্রহী।কুরবানির পশুর চামড়া বা বিক্রয়ের টাকা প্রদানের খাতগুলো কি কিউত্তর: কুরবানীর...
দুশ্চিন্তা দূর করার দোয়া | Prayer to remove anxiety

ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কুরবানীর মাংস বন্টনের নিয়ম রয়েছে কিনা? জানালে উপকৃত হব।

0
প্রশ্ন: ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কুরবানীর মাংস বন্টনের নিয়ম রয়েছে কিনা? জানালে উপকৃত হব।শরীয়তের দৃষ্টিতে কুরবানীর মাংস বন্টনের নিয়মউত্তর: কুরবানী অত্যন্ত সওয়াব, মঙ্গলময় ও পূণ্যময়...
সূরা ইখলাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ - Surah Ikhlas bangla

সূরা ইখলাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ – Surah Ikhlas bangla

0
সূরা ইখলাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ - Surah Al - Ikhlas Bangla - surah ikhlas banglaসূরা ইখলাস পবিত্র কুরআনের ১১২তম সূরা। এটি মক্কায় অবতরণ...
দুশ্চিন্তা দূর করার দোয়া | Prayer to remove anxiety

দরূদে তুনাজ্জিনা উচ্চারণ ও ফযিলত

0
দরূদে তুনাজ্জিনা উচ্চারণ ও ফযিলতরাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ অনেক বেশি ফজিলতের। দরুদ পাঠ রহমত ও বরকত লাভের অন্যতম উপায়। স্বয়ং আল্লাহ তাআলা পবিত্র...
Enable Notifications OK No thanks