সরকার স্মার্ট ল্যান্ড সার্ভিসের বা ভূমি সেবার জন্য এজেন্ট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে

Author:

Published:

Updated:

সরকার স্মার্ট ল্যান্ড সার্ভিসের বা ভূমি সেবার জন্য এজেন্ট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে

Get Study Online – Google News

Do you want to get our regular post instant? So you can follow our Google News update from here.

সরকার স্মার্ট ল্যান্ড সার্ভিসের বা ভূমি সেবার জন্য এজেন্ট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে

Government has decided to appoint agents for Smart Land Services

স্থানীয় “Bkash” এবং নগদ, রকেট এজেন্টদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে যদি তারা কম্পিউটার সম্পর্কে ভাল জানে। এছাড়া ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রে কর্মরতদেরও এর আওতায় আনা হবে।

এজেন্টরা আগ্রহী জমির মালিকদের ই-নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, ই-পোর্চা, ই-মৌজা ম্যাপ সহ সমস্ত ডিজিটাল ভূমি পরিষেবা পেতে সহায়তা করবে।

তারা অন্যান্য ভূমি সম্পর্কিত সার্ভিসেও সহায়তা করবে। তবে মূল কাজ ভূমি অফিস করবে। কোনো আবেদন নিষ্পত্তি বা প্রত্যাখ্যানে এজেন্টদের কোনো ভূমিকা থাকবে না। সরকারী নিয়োগকৃত এজেন্ট ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে ডিজিটাল বা স্মার্ট ল্যান্ড সার্ভিস নেওয়া যাবে না। তালিকার বাইরের কারো কাছ থেকে ভূমি সেবা নেওয়া যাবে না।

তালিকাভুক্ত কোনো এজেন্ট অনিয়ম করলে বা অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করলে লাইসেন্স বাতিল এবং তার জামানত বাজেয়াপ্ত করার শাস্তির বিধান রয়েছে নীতিমালায়। এ সংক্রান্ত খসড়া নীতিমালা প্রায় চূড়ান্ত।

এ বিষয়ে ভূমি সচিব মো. খলিলুর রহমান বৃহস্পতিবার বলেন, জমির মালিকদের সহজ সেবা দিতে এবং দালালদের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্ত করতে এজেন্ট নিয়োগের এই সিদ্ধান্ত। এতে বিপুল সংখ্যক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হবে। তিনি বলেন, আগের তুলনায় ভূমি সেবা বহুগুণ বেড়েছে। জমির মালিকরা এখন অনেক সচেতন। কিন্তু জমির মালিকরা এখনো ডিজিটালভাবে সেবার আবেদন ও নিষ্পত্তি করতে পারছেন না। তাই এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ভূমি সেবার জন্য এজেন্ট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে

সেবার বিনিময়ে এজেন্টরা সরকার নির্ধারিত কমিশন পাবেন। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি পরিশোধে ভূমি অফিস সহকারী হিসেবে ভূমি মালিকরা তাদের কাছ থেকে সহায়তা পাবেন। তবে তারা সরকারি কর্মচারী নন। তারা কখনই সরকারি চাকরিজীবী দাবি করতে পারে না।

তাদের এক বছরের জন্য নিয়োগ দেবে সরকার। তাদের এনআইডি, জন্ম নিবন্ধন, মোবাইল নম্বর, স্থায়ী ঠিকানা, দোকান ভাড়ার চুক্তি যাচাইয়ের পর জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা তাদের নিয়োগ দেবেন।

যাদের কম্পিউটারে দক্ষতা আছে তারাই আবেদন করতে পারবেন। তবে কম্পিউটারে ডিপ্লোমা, কম্পিউটারে সার্টিফিকেট কোর্সধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

আধুনিকায়নের ফলে অফিসে না গিয়ে ভূমি সেবা পাওয়া যাচ্ছে। তবে তার জন্য এ সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেবার ডিজিটাইজেশন হলেও দেশের বেশির ভাগ মানুষেরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই।

Tree Plantation Paragraph in 200, 300, 400, 500 word for All Classes

বেশিরভাগ জমির মালিক জানেন না কীভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবেদন করতে হয় এবং পরিষেবাটি পেতে ফি জমা দিতে হয়। ফলে তারা ভূমি অফিসের আশপাশে কম্পিউটারের দোকানে যান। জমির মালিকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দোকানিরা। অনেক ক্ষেত্রে তারা জমির মালিকদের সম্পূর্ণ সেবা দিতে পারছেন না।

আবারও ডিজিটাল ল্যান্ড সার্ভিসকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক শ্রেণির দালাল গ্রুপ তৈরি হয়েছে। ডিজিটাল ল্যান্ড সার্ভিসের নামে জমির মালিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে তারা। অনেক সময় অসাধুরা কাঙ্খিত সেবা না দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। কিন্তু কোনো ধরনের কাঠামো না থাকায় সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারছে না।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ভূমি সেবা দিতে এজেন্ট নিয়োগ দিতে চায়। সেক্ষেত্রে, সরকার এমন লোক নিয়োগ করবে যারা ভূমি অফিসের সমস্ত পরিষেবার জন্য ডিজিটালভাবে আবেদন করতে পারে এবং রাজস্ব আদায়ে সহায়তা করতে পারে।

সরকার স্মার্ট ল্যান্ড সার্ভিসের বা ভূমি সেবার জন্য এজেন্ট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে

ভূমি ডিজিটাইজেশন নলেজ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড পারফরম্যান্স (ডিকেএমপি) বিভাগের যুগ্ম সচিব মো: জাহিদ হোসেন পনির বলেন, ডিজিটাল ল্যান্ড সার্ভিসের আওতায় গ্রাহকদের সহজে সেবা দেওয়া হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে বেশিরভাগ ভূমি পরিষেবাগুলিকে ডিজিটাল করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে সরকার এজেন্টভিত্তিক সেবার পরিকল্পনা করেছে। এ বিষয়ে খসড়া নীতিমালা বা গাইডলাইন প্রায় চূড়ান্ত।

এদিকে আহাদ নামের এক ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক প্রোফাইলে ভূমি সেবা সংক্রান্ত একটি গ্রুপে এক ব্যক্তি লিখেছেন, নামকরণ, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান ও দলিল সংক্রান্ত সমস্যার জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আপনাকে দিতে পারবেন। সঠিক সমাধান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই প্রতিবেদক তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৪০০ টাকা এবং কাজ শেষ হওয়ার পর আরও ৫০০ টাকা দাবি করেন।

এসএ ম্যাপের জন্য শাহ আলম নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ১২০০ টাকা দাবি করেন। অতিরিক্ত টাকা কেন প্রয়োজন জানতে চাইলে তারা বলেন, কাজ করতে হলে সময় ও মেধা দিতে হবে। আমি অতিরিক্ত খরচ না করে কিভাবে এগিয়ে যেতে পারি?

বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে ভূমি অফিসগুলো প্রতিদিন ৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করছে। সে অনুযায়ী মাসিক রাজস্ব ১৮০ কোটি টাকা এবং প্রতি বছর রাজস্ব প্রায় ২ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। ভূমি পরিষেবার ডিজিটালাইজেশনের আগে, ভূমি রাজস্ব বার্ষিক ৩০০ কোটি টাকার কম ছিল।

About the author

One response to “সরকার স্মার্ট ল্যান্ড সার্ভিসের বা ভূমি সেবার জন্য এজেন্ট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে”

Leave a Reply

Latest posts

Enable Notifications OK No thanks